গণতন্ত্রের রাজা এন ইউ আহম্মেদ এর প্রেমিকা দের কে সহ যে কোন গরীব মধ্যে বৃত্ত বড়লোক আবেদন করতে পারবে বলে ই-মেইল প্রকাশ করেছেন। জানিয়েছেন, যে কোন দেশের মেয়ে, যে কোন ধর্মের মেয়ে, যে কোন দরিদ্র মধ্যে বৃত্ত বড়লোক আবেদন এর মেয়ে আবেদন করতে পারবে। E-mail :world democracyking@gmail.com,worlddemocracyQueen@gmail.com, Nuahmmed12@gmail.com শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে শুধু মানুষ হলেই হবে, শিক্ষার্থী অথবা পড়াশোনা শেষ হলেও হবে কিন্তু শিক্ষাগত যোগ্যতা বলতে কিছু নেই শুধু যোগ্যতার নাম মানুষ হলেই হবে।
ভালোবাসা থাকলোই হবে । এছাড়া কোন যোগ্যতা থাকার দরকার নেই।
বর্তমান কোন শাসক শ্রেণির বংশ আবেদন গ্রহণ যোগ্য না বলে জানান৷ অবিবাহিত ছাড়া গ্রহণ যোগ্য না।
এন ইউ আহম্মেদ বলেন, আমার পারিবারিক নিয়ম নীতি সংবিধান অনুযায়ী, আমার জীবন সঙ্গীনি পতাকা রাণী, ভালোবাসার মহানায়িকা, মান সম্মান মর্যাদার রানী অর্থাৎ য়ার কোন মান সম্মান মর্যাদা থেকে সরিষা পরিমাণ মান সম্মান মর্যাদা দুনিয়ায় সকল মেয়েদের জন্য চলে গেছে। আমার জীবন সঙ্গীনি মান সম্মান মর্যাদার রানী । আমার জীবন সঙ্গীনি পারিবারিক নিয়ম কানুন নীতি
One family One world ,Married Flag couple. আবেদন কৃত থেকে সিলেকশন করা হবে আমার আপন মা বাবা ভাই বোন, পারিবারিক ভাবে আলোচনা মাধ্যমে ।
বিয়ে ২০২৩/২৪ সালে যে কোন দিন তারিখ ও মাসে একান্ত পারিবারিক ভাবে করবো। বিয়ের পরবর্তীতে কোন প্রোগ্রাম কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে । আমার ভালো লাগলে গ্রামের মেয়ে কে সিলেকশন হতে পারে, শহরের মেয়ে সিলেকশন হতে পারে অথবা আবেদন করে এমন যে কোন দেশে মেয়ে সিলেকশন হতে পারে। তবে প্রেমিকার কৌটা আবেদন গ্রহণ গ্রহণ যোগ্য। প্রেমিকার কৌটা অগ্রাধিকার পাবে। কারণ আমার নিয়ম নীতি আমার প্রেমিকার কৌটায় আমার জীবন সঙ্গীনি হবে।
আর কোন পরিচয় আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না শুধু আমার প্রেমিকা পরিচয় যথেষ্ট।
কোন জাত ধর্ম বর্ণ ধনী বড়লোক গরীব মধ্যে বৃত্ত রাজনীতির নেত্রী, রাজনীতির নেতার বংশ শিল্পপতি, বড় কোন অফিসার বংশ কোন পরিচয় গ্রহণ যোগ্যতা নেই। জীবন সঙ্গীনি হওয়ার উদ্দেশ্যতে শুধু প্রেমিকা পরিচয় যথেষ্ট। কোন আন্তর্জাতিক সুনাম খ্যাত বড় কোন দেশের এমপি মন্ত্রী কোন পরিচয় গ্রহণ যোগ্য না। সিনেমা নাটকের কোন নায়িকা পরিচয় গ্রহণ যোগ্য না।
কোটি টাকা মালিক গাড়ি বাড়ি অর্থ বৃত্ত পরিচয় গ্রহণ যোগ্য না শুধু আমার প্রেমিকা পরিচয় গ্রহণ যোগ্য কারণ আমার জীবন সঙ্গীনি হওয়ার একটাই কৌটার নাম প্রেমিকা। তিনটা ই-মেইল ঠিকানায় ৬ বার করে আবেদন করতে হবে। এর পরে আবার তিনটা ই-মেইল ঠিকানায় ২ বার করে ৬ বার আবেদন করতে হবে অর্থাৎ মোট ২৪ বার আবেদন করতে হবে। নাম পরিচয় ঠিকানা বায়োডাটা সহ পারিবারিক সবার ছবি সহ আবেদন করতে হবে। শ্যামলা কালো ফর্সা লম্বা কাটো মেয়ে কোন নিয়ম নীতি নেই। আল্লাহ পাক সৃষ্টি করা মানুষ পরিচয় যথেষ্ট ভালো পরিচয়ে জীবন সঙ্গীনি হওয়ার আবেদন করতে পারেন। কোন শংকট সংশয় আমার জীবন সঙ্গীনি হওয়ার আইনে আর নেই।
সকল মিডিয়া সাংবাদিক সহ সবার প্রতি হাজার কোটি বার ধন্যবাদ জানিয়ে আমার পারিবারিক জীবন সঙ্গীনি হওয়ার নিয়ম বিজ্ঞপ্তি রইলো।