মেহেদী হাসান শামীম, স্ট্যাফ রিপোর্টার: বিথীর ছোট ভাই রোহান আহমেদ বলেন, ‘আপু দোকানে যাওয়ার কথা বলে নামাজের পর বাসা থেকে বের হয়। পরে আমরা ফোনে খবর পাই, আপু নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে। নদীর পাড়ে আপুর হাতব্যাগ, জুতা ও মোবাইল ফোন রাখা ছিল। এখানকার লোকজন আমাদেরকে এমনটাই বলেছে।’
শেরপুরে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজের এক দিন পর স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শেরপুর-জামালপুর সেতুর পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে শনিবার ৩টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
প্রাণ হারানো ২৭ বছর বয়সী মাহেরা আহমেদ বিথী জামালপুর পৌরসভার বাসিন্দা। তিনি জামালপুর শহরের একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন।
ফায়ার সার্ভিস জামালপুরের স্পেশাল অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, শেরপুর ব্রহ্মপুত্র সেতুর কাছাকাছি জায়গায় শুক্রবার বিথী নদীতে ঝাঁপ দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা বেলা দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়ে তার কোনো খোঁজ পাননি। শনিবার দুপুরে আবারও তারা ওই স্থানে উদ্ধারকাজ শুরু করলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শেরপুর সদর থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে সুরতহাল করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বিথীর ছোট ভাই রোহান আহমেদ বলেন, ‘আপু দোকানে যাওয়ার কথা বলে নামাজের পর বাসা থেকে বের হয়। পরে আমরা ফোনে খবর পাই, আপু নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে। নদীর পাড়ে আপুর হাতব্যাগ, জুতা ও মোবাইল ফোন রাখা ছিল। এখানকার লোকজন আমাদেরকে এমনটাই বলেছে।’
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, অনেক চেষ্টার পর মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।