তীব্র গরমে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসীর জন্য ভীষণ যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং। এমতাবস্থায় পানির চাহিদা যখন আরও বেড়ে গেছে, তখন সরবরাহ গেছে কমে। রীতিমতো গোঁদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো দশা। এসব কারণে নগরবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে অসন্তোষ; অনেকে রীতিমতো ক্ষুব্ধ। আগামীকাল অনার্স সেমিষ্টার পরীক্ষা অথচ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি না নিয়ে রাতে পানি সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত শিক্ষার্থী ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তীব্র গরমের কারণে স্বাভাবিক পরিস্থিতির চেয়েও ১৫-২০ কোটি লিটার বাড়তি পানির প্রয়োজন হচ্ছে নগরবাসীর। কিন্তু বিদ্যুতের মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক সরবরাহেই মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। শুধু তাই নয়, পাম্প সচল রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
পানি সংকটের কথা জানিয়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ৪০ নং ওয়ার্ডে হাজী ছলিমউদ্দিন রোডরে বাসিন্দা আকতার হোসেন অনিক বলেন, এমনিতে ওয়াসার পানি পান করা যায় না; ওয়াসার বুথ থেকে পানি কিনে চাহিদা মেটাতে হয়। রান্না ও গোসলের জন্য যেটুকু পানি প্রয়োজন, সেটুকুও পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিদিন পানির জন্য বসে থাকতে হয়। গভীর রাতে পাম্প ছেড়ে যতটুকু পানি পাওয়া যায় ট্যাংক ভর্তি করে রাখা যায়। বাধ্য হয়ে পানি সংরক্ষণ করতে হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, একদিকে লোডশেডিং- অন্যদিকে পানির সংকট। ঢাকায় বসবাস করাই কঠিন হয়ে গেছে। তীব্র গরমে গোসল করতে না পারলে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়বে। এ অবস্থায় ওয়াসার কোনো নড়চড় দেখি না। ওয়াসার লাইনে পানি নেই। বাড়ির মালিকরা পানি তুলবে কীভাবে?