শেরপুর প্রতিদিন ডট কম

Home ময়মনসিংহ বিভাগ শেরপুর জেলা শেরপুরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ‘গণিত উৎসব ও শিক্ষাবৃত্তি’ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
শেরপুরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ‘গণিত উৎসব ও শিক্ষাবৃত্তি’ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

শেরপুরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ‘গণিত উৎসব ও শিক্ষাবৃত্তি’ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

‘গণিতকে করবো জয়’ স্লোগানে শেরপুরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ‘গণিত উৎসব ও শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫’ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ নভেম্বর শুক্রবার শেরপুরের পুলিশ লাইন্স একাডেমি ফর ক্রিয়েটিভ এডুকেশন স্কুলে ওই গণিত উৎসব ও শিক্ষাবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলামের সার্বিক তত্বাবধানে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভুঁইয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় শেরপুর ও জামালপুরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩৬০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রথম শ্রেণি হতে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
শেরপুরের বিপ্লব লোপা মেমোরিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থী মৌমিতা পাল বলেন, জেলা পুলিশের তত্বাবধানে এবারই প্রথম এতো বড় পরিসরে গণিত উৎসবে অংশ করেছি। এখানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজের মেধা যাচাইয়ের সুযোগ পেয়েছি। রেহানা ইদ্রিস মডেল একাডেমির পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিম বলেন, এ প্রতিযোগিতার অংশ নিয়ে আমার খুব ভালো লেগেছে। সকল প্রশ্নের উত্তর লিখতে পেরেছি।
পুলিশ লাইনস একাডেমি ফর ক্রিয়েটিভ এডুকেশন জামালপুরের শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, প্রথমবারের মতো শেরপুরে এমন আয়োজনে আমি অংশ নিয়েছি। গণিতে নিজেকে যাচাই করার একটা সুযোগ এটি, তাই চেষ্টা করেছি সঠিকভাবে প্রশ্নের উত্তরগুলো লেখার।
এদিকে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম প্রমুখ।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন আক্তার বলেন, পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলামের তত্বাবধানে শেরপুর ও জামালপুরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ ‘গণিত উৎসব ও শিক্ষাবৃত্তি ২০২৫’ এর আয়োজন করা হয়। আগামী ২৯ তারিখে এর ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এটি কেবল প্রতিযোগিতা নয়; বরং শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা, শিক্ষানুরাগী করে গড়ে তোলার প্রয়াস। এমন আয়োজনে শিক্ষার্থীরা তাদের যুক্তিভিত্তিক মুক্ত চিন্তা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় পর্যায়ের প্রস্তুতির জন্য নিজেকে তৈরী করতে পারবে।
ওইসময় তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনার সন্তানকে সময় দেবেন। তাদের পাশে থেকে আশা, সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগাবেন, যেন তারা কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন ছুঁতে পারে। আর শিক্ষার্থীদের স্মার্ট ফোনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার থেকে বিরত থাকার কথাও জানান তিনি।