শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানে ৩৬ শতাংশ খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে। ১৭ আগস্ট রবিবার দুপুরে উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়া এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফ উদ্দিনের নেতৃত্বে ওই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলদাররা ওই জমিতে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে দোকান-পাট পরিচালনা করে আসছিলেন।
জানা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়া মৌজার ১ নম্বর খতিয়ানের ২৩২৮ নম্বর দাগের ২২ শতাংশ ও ২৩৩১ নম্বর দাগের ১৪ শতাংশ খাস জমি উদ্ধার করা হয়। সরকারের নামে ১ নম্বর খাস খতিয়াানে ষোল আনায় রেকর্ড করা জমিটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে ছিল। ওই খাস জমিতে কয়েকটি ৮ থেকে ১০টি আধা পাকা ও টিনের ঘর ছিল এবং তাতে বিভিন্ন রকমের দোকান-পাট ছিল।
অভিযানকালে সেখানে সরকারের পক্ষে প্রস্তাবিত কাংশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সরকারি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান পরিচালনার সময় উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, ঝিনাইগাতী থানার পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ও আনসার বাহিনীর সদস্যসহ ও এলাকার গণ্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফ উদ্দিন জানান, উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, ঝিনাইগাতী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মূল্যবান অনেক খাস জমি বিভিন্ন দখলদাররা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে আছেন। বাকাকুড়া বাজারের উদ্ধারকৃত ভূমিতে প্রস্তাবিত কাংশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সরকারি সাইনবোর্ড স্থাপন করে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে।