বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্নার মৃত্যুতে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে দলটি। ইসহাক আলী খান পান্না পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
শনিবার গণমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর আসে। জানা যায়, শুক্রবার মধ্যরাতে পালাতে গিয়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে চলে গিয়েছিলেন। সেখানকার শিলংয়ে পাহাড়ে ওঠার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুর খবরটি গণমাধ্যম থেকে দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। তার মৃত্যুতে অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি।
গুঞ্জন ওঠে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।
শেষমেষ আওয়ামী লীগের ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেইজে এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। ইসহাক আলী খান পান্নার ছবি দিয়ে করা পোস্টে লিখা হয়েছে, ‘আমরা শোকাহত। ইসহাক আলী খান পান্নার মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।’
প্রসঙ্গত, পান্নার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামে। তবে গ্রামের বাড়িতে তার যাতায়াত তেমন ছিল না। তার স্ত্রী আইরীন পারভীন বাঁধন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ৪৫ বছর বয়সে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল মারা যান। স্ত্রীর মৃত্যুর পর পান্না আর বিয়ে করেননি। তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে, তবে সে পালিত সন্তান বলে জানা গেছে।
ইসহাক আলী খান পান্না ১৯৯৪ সালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন। ওই সময় ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন সাবেক পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। পেশাগত ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারমান ছিলেন পান্না।
২০১২ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের পর দলের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক এবং পরে বিভিন্ন উপ-কমিটির সদস্য হয়েছিলেন। তিনি পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।