পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্রদের মধ্যে জাতীয় পরিষদে ৮৯ সদস্য, খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক পরিষদের ৮৫ সদস্য, পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের ১০৬ সদস্য এবং সিন্ধু প্রাদেশিক পরিষদের ৯ সদস্য তাদের হলফনামা জমা দিয়েছেন। ফলে জাতীয় পরিষদে বিরোধী জোটের আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩।
তবে পিটিআই সেক্রেটারিয়েটের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, তিন পিটিআই নেতা ওমর আইয়ুব খান, গহর খান ও আলি আমিন গান্দাপুর এখনো হলফনামা জমা দেননি। আর নির্বাচন কমিশন দাওয়ার কুন্দি নামের এক প্রার্থীর প্রজ্ঞাপন এখনো জারি করেনি।
এছাড়া জাতীয় পরিষদের দুই নির্বাচিত সদস্য চৌধুরী ইলিয়াস ও মুহাম্মদ আসলাম গুম্মাম নিখোঁজ থাকলেও তাদের হলফনামা পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, ওমর আইয়ুব ও গহর খান ইচ্ছা করেই হলফনামা জমা দেননি। তারা পিটিআইয়ের আন্তঃদলীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বদ্বিতা করতে চান। আর গান্দাপুরকে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছে পিটিআই, এ কারণে তিনি হলফনামা জমা দেননি।
পাকিস্তানে গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে সাধারণ নির্বাচন। যদিও এ নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছেন পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)। তৃতীয় স্থানে আছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। ইতোমধ্যে পিএমএল-এন ও পিপিপি জোটবদ্ধভাবে সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নিজেদের পক্ষের আসন সংখ্যা বাড়াতে সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলের সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পিটিআই। এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে তারা নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন দাবি করতে পারবেন।