নিজস্ব প্রতিনিধি: ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেলো শেরপুরের তুলশীমালা ধান। এতে নিবন্ধন পাওয়ায় তুলশীমালা চাষে স্থানীয় কৃষকদের আগ্রহ বাড়বে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।নানা জাতের ধানে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের কৃষি। এর মধ্যে তুলশীমালা চাষ হয় শেরপুরের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে। সম্প্রতি এ ধান দেশের জিআই বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
চলতি বছর জেলার পাঁচ উপজেলার সাত হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হওয়া তুলশীমালা ধান থেকে উৎপাদিত হয়েছে প্রায় ১০হাজার মেট্রিক টন চাল। স্বাদ ও ঘ্রাণযুক্ত তুলশীমালা চাল জেলার চাহিদা মিটিয়ে পাঠানো হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
স্থানীয় চাষিরা জানান, শেরপুর জেলাতে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় তুলশীমালা ধানের। জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যাচ্ছে এই ধান। মূলত স্বাদ ও ঘ্রাণযুক্ত যুক্ত হওয়ায় এ ধানের চাহিদা বেশি।
উচ্চ গুণসম্পন্ন এই তুলশীমালা চাল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ। এ চাল ভবিষ্যতে রফতানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব বলে জানান শেরপুর কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক ড. সুকল্প দাস।
তিনি বলেন, তুলসীমালা ধান আগে থেকেই সুপরিচিত। এর সুনাম আগামী দিনে আরও বিস্তৃত হবে।
তুলশীমালা ধান থেকে উৎপাদিত চাল জেলার অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বিদেশেও রফতানি করা সহজ হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার।
তিনি বলেন, যারা তুলসীমালা ধান চাষ করছেন; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহযোগিতায় তাদের ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। কৃষকদের এই ধান চাষে আরও আগ্রহী করে তুলতে কাজ চলছে।