শেরপুর প্রতিদিন ডট কম

Home শেরপুর জেলা শেরপুর সদর শেরপুরে মোবাইল কোর্টে কারেন্ট জাল পুড়তে গিয়ে ৩ জেলের গায়ে আগুন। দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশ।
শেরপুরে মোবাইল কোর্টে কারেন্ট জাল পুড়তে গিয়ে ৩ জেলের গায়ে আগুন। দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশ।

শেরপুরে মোবাইল কোর্টে কারেন্ট জাল পুড়তে গিয়ে ৩ জেলের গায়ে আগুন। দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশ।

স্টাফ রিপোর্টারঃ শেরপুরের লছমনপুর ইউনিয়নের ইলশা বাজার এলাকায় মেজিস্ট্রেটেট মোবাইল কোর্টে কারেন্ট জাল জব্দ করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার সময় ৩ জেলে অগ্নিদগ্ধের ঘটনায় স্থানীয় জনতা ম্যাজিস্ট্রেটসহ পুলিশকে ২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে।

 

পরে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. হান্নান মিয়া, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম এবং ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই ও নুরুন্নাহার গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তসহ বিচারের আশ্বাস দিলে জনতা অবরোধ তুলে নেয়। অগ্নিদগ্ধরা হলো, মো. সাউদ, মো. জবেদ আলী ও ইয়াকুব আলী। তাদের সবার বাড়ি ইলশা গ্রামে। আহতরা বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে চিচিৎসাধিন রয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, আজ দুপুরে সদর উপজেলার ইলশা গ্রামের মৃগি নদীতে কারেন্টজাল দিয়ে মাছ ধরার সময় সদর উপজেলার সহকারী (ভুমি) কমিশনার উজ্জল মোহাম্মদ হোসাইন এর নেতৃত্বে জেলা মৎস কর্মকর্তা সুলতানা লায়লা তাসমিমসহ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় নদী থেকে কারেন্টজাল উদ্ধার করে মোবাইল কোর্টের বিচারক সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জল মোহাম্মদ হোসাইন আটককৃত জাল পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়। এসময় মোবাইল কোর্টর পুলিশ সদস্যরা জালে আগুন দিতে গেলে জালের মালিকরা বাঁধা দিতে গেলে তারাসহ অগ্নদগ্ধ হয়ে যায়। এখবর পেয়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে স্থানীয়রা। মোবাইল কোর্টের বিচারক সহকারী কমিশনার উজ্জল মহাম্মদ হোসাইন ও মৎস কর্মকর্তা সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে জেলা শহর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মো. হান্নান ও আরো একজন ম্যাজিস্ট্রেটসহ অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই বিচারককে উদ্ধার করে। কিন্তু স্থানীয়রা আরো বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে এবং আবারও রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে।

পরে সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম লছমনপুর ইউপি আব্দুল হাই ও ভাতশালা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুন্নাহার এসে আহতদের চিকিৎসার আশ্বস্ত করলে জনতা অবরোধ তুলে নেয়। এ বিষয়ে সদর সার্কে হান্নান মিয়া বলেন, জনতা রাস্তা অবরোধ করেছে তাদের আবেগ থেকে ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য। আমরা বিষয়টা দেখার আশ্বাস দিলে এবং স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের আশ্বাসে তারা অবরোধ তুলে নেয়।


LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eight − two =