শেরপুরে আড়াই মাসের কন্যাশিশুকে চুরির পর এক লাখ ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চুরি যাওয়া ওই শিশুটি উদ্ধারসহ অভিযুক্ত এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গ্রেফতারের তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম।
এর আগে, সদর উপজেলার মাধবপুর থেকে এক নারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার স্বীকারোক্তিতে বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলা থেকে ওই শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার জরিনা বেগম (৪৮) সদর উপজেলার লসমনপুর গ্রামের ইজ্জত আলীর স্ত্রী। আর পলাতকরা হলেন- জরিনার মেয়ে সাবিনা আক্তার (২৮) সদর উপজেলার কামারেরচর গ্রামের সুলতান মিয়া (৪৫) ও টাংগাইল জেলা সদরের আশিকপুর পশ্চিম পাড়া এলাকার এমদাদুল হকের স্ত্রী সানোয়ারা খানম (২২)।
পুলিশ জানায়, নকলা উপজেলার কুলাদি গ্রামের তানিয়া আক্তার ও লতিফুর রহমান দম্পতির তাদের আড়াই মাসের কন্যাশিশু লাবিবাকে ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে চিকিৎসার জন্য শহরের বটতলা এলাকার নিরাপদ ক্লিনিকে নিয়ে যান। তানিয়ার পূর্ব পরিচিত ওই ক্লিনিকের শিশু চোরচক্রের সদস্য জরিনা বেগম তানিয়াকে বোকা বানিয়ে মেয়ে সাবিনার সহায়তায় তার শিশুটিকে চুরি করে। এরপর তারা টাঙ্গাইল জেলা সদরের এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে এক লাখ ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।
ঘটনার পর পুলিশ অভিযোগ পেয়ে অভিযান শুরু করে। বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি জরিনাকে শহরের মাধবপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে টাঙ্গাইল জেলা সদরের আশিকপুর পশ্চিমপাড়ার হাজী সুলতান মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছানোয়ারা নামে এক নারীর শোবার ঘর থেকে শিশু লাবিবাকে উদ্ধার করলেও নারী ও তার স্বামীকে পাওয়া যায়নি।
সদর থানার ওসি মো. জুবায়দুল আলম বলেন, গ্রেফতার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে।