ঝিনাইগাতীতে অতি বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি কমলেও বাড়ছে জনদুর্ভোগ। ঢলের পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বারছে। পাশাপাশি বাড়ছে জনদুর্ভোগ। পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে শতশত কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। গৃহহীন অনেকে এখনো খোলা আকাশের নিচে। ঢলের পানিতে তলিতে শতশত মৎস্য ঘেড় ও পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।
আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় রাস্তা-ঘাট বিধ্বস্ত হয়ে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঢলের পানিতে গবাদি পশু ও হাঁস মুরগির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে হাতীবান্ধা ও মালিঝিকান্দা ইউনিয়নের হাজারো মানুষ এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
পাহাড়ি ঢলের কারণে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। যা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। ১৩ শত টাকার গ্যাস সিলিন্ডার ২০০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। শ্রমজীবি মানুষের হাতে কাজ নেই।
সরকারিভাবে যে পরিমাণের ত্রান সহায়তা দেয়া হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। গৃহহীন পরিবারের সদস্যরা পায়নি কোন সরকারি সাহায্য সহযোগিতা। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম রাসেল গৃহহীন পরিবারের সদস্যদের মাঝে সরকারি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।