শেরপুর প্রতিদিন ডট কম

Home জাতীয় পছন্দের পিএস না পেলেও এপিএস পাবেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা
পছন্দের পিএস না পেলেও এপিএস পাবেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

পছন্দের পিএস না পেলেও এপিএস পাবেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা নিজেদের পছন্দের একান্ত সচিব (পিএস) না পেলেও পছন্দের ব্যক্তিকে সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) নিয়োগ দিতে পারবেন। তবে এপিএস যিনি হবেন, তার প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার পদে আবেদন করার ন্যূনতম যোগ্যতা থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় শপথও নিয়েছেন নতুন সদস্যরা। এখন তাদের জন্য পিএস এবং এপিএস নিয়োগ দেবে সরকার।
জানা গেছে, ২০১৯ সালের আগে মন্ত্রীরা পছন্দের ব্যক্তিকে পিএস হিসেবে পেতেন। কিন্তু ২০১৪-১৮ মেয়াদে অনেক পিএস-এপিএসের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এরপর ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরামর্শে ব্যাচভিত্তিক বিসিএস কর্মকর্তাদের তালিকা তৈরি করে পিএস নিয়োগ দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এবারও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে বলে জানা গেছে।
তবে এপিএস হিসেবে নিজেদের পছন্দে যে কাউকে নিয়োগ দিতে পারেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শুধু খেয়াল রাখতে হয়, এপিএস যিনি হচ্ছেন, তার যেন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার পদে আবেদন করার ন্যূনতম যোগ্যতা থাকে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, পছন্দের ব্যক্তিকে পিএস নিয়োগ দিলে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ পাওয়া যায়। এজন্য গতবার এ সুযোগ দেওয়া হয়নি। এবারও সুযোগ দেওয়া হবে না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বৃহস্পতিবার দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। পূর্ণ মন্ত্রীদের মধ্যে আ ক ম মোজাম্মেল হককে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়; ওবায়দুল কাদেরকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে অর্থ মন্ত্রণালয়; আনিসুল হককে আইন মন্ত্রণালয়; নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনকে শিল্প মন্ত্রণালয়; আসাদুজ্জামান খানকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; মো. তাজুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়; মুহাম্মদ ফারুক খানকে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ হাছান মাহমুদকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; দীপু মনিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; সাধন চন্দ্র মজুমদারকে খাদ্য মন্ত্রণালয়; আবদুস সালামকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; মো. ফরিদুল হক খান ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
অন্যদিকে, র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে ভূমি মন্ত্রণালয়; জাহাঙ্গীর কবির নানককে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; মো. আবদুর রহমানকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; মো. আবদুস শহীদকে কৃষি মন্ত্রণালয়; ইয়াফেস ওসমানকে (টেকনোক্র্যাট) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; সামন্ত লাল সেনকে (টেকনোক্র্যাট) স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; মো. জিল্লুল হাকিমকে রেলপথ মন্ত্রণালয়; ফরহাদ হোসেনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; নাজমুল হাসানকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়; সাবের হোসেন চৌধুরীকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মহিবুল হাসান চৌধুরীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ১১ প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে নসরুল হামিদকে বিদ্যুৎ বিভাগ; খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়; জুনাইদ আহ্‌মেদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; জাহিদ ফারুককে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়; সিমিন হোসেন রিমিকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়; কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম-বিষয়ক মন্ত্রণালয়; মহিববুর রহমানকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; শফিকুর রহমান চৌধুরীকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; রুমানা আলীকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আহসানুল ইসলামকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here