দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক যেসব প্রার্থী যাচাই বাছাইয়ে বাদ পড়েছিলেন তাদের মধ্যে ২৭৫ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তারা প্রার্থিতা ফিরে পান। এর মধ্যে শেষ দিন শুক্রবার ২০ জন প্রার্থিতা ফিরে পান।
নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে বা অন্যের প্রার্থিতা বাতিলে মোট ৫৫৮ জন আপিল করেছিলেন।
শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের আইন শাখা সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
ইসি সূত্রে জানা যায়, আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫৬ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। এছাড়া দ্বিতীয় দিন ৫১ জন, তৃতীয় দিন ৬১ জন, চতুর্থ দিনে ৪৪ জন, পঞ্চম দিনে ৪৩ জন এবং শুক্রবার শেষ দিনের শুনানিতে ২০ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। ছয় দিনে মোট ২৭৫ জন প্রার্থিতা ফিরে পান।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে ৩২ জনের প্রার্থিতা বাতিল চেয়েও আপিল জমা পড়ে ইসিতে। এদের মধ্যে বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাম্মী আহম্মেদ, ফরিদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম হক, বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিক আব্দুল্লাহসহ কয়েকজনের বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। সেদিন থেকে নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোট হবে ৭ জানুয়ারি।