শেরপুর প্রতিদিন ডট কম

Home আন্তর্জাতিক পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে এই কাকার?
পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে এই কাকার?

পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে এই কাকার?

‘পাকিস্তানের সংসদের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদের (এনএ) মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার তিন দিন আগে (৯ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের পরামর্শে ভেঙে দেওয়ার পর দেশটিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও জাতীয় পরিষদের (এনএ) বিরোধীদলীয় নেতা রাজা রিয়াজ এক বৈঠক শেষে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেছেন।

দেশটির সংসদের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য আনোয়ারুল হক কাকারকে পাকিস্তানের নতুন তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী মনোনীত করা হয়েছে। পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ছোট্ট প্রদেশ বেলুচিস্তানের বাসিন্দা কাকার। বেলুচিস্তানের একজন প্রভাবশালী রাজনীতিকও তিনি।

২০১৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন কাকার। দেশটির অত্যন্ত সক্রিয় একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে তার পরিচিতি আছে। সংসদের উচ্চকক্ষে নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক হামিদ মীর জিও নিউজকে বলেছেন, রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও কাকারকে দেশের একজন তুখোড় বুদ্ধিজীবী হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

মীর বলেন, বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির (বিএপি) এই আইনপ্রণেতা পশতুন জাতিগোষ্ঠীর কাকার উপজাতির সদস্য। যে কারণে তিনি পশতুন ও বালুচ— উভয় গোষ্ঠীরই প্রতিনিধিত্ব করেন।

‘দেশটির রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), পাকিস্তান পিপলস পার্টিসহ (পিপিপি) মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর সাথেও ভাল সম্পর্ক রয়েছে আনোয়ারুল হক কাকারের।’

২০০৮ সালে রাজনৈতিক দল কিউ-লীগের টিকিটে কোয়েটা থেকে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন কাকার।রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী কাকার বেলুচিস্তান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র।

পাকিস্তানের সিনেটের পররাষ্ট্র ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এছাড়াও সিনেটের ব্যবসা উপদেষ্টা কমিটি, অর্থ ও রাজস্ব, পররাষ্ট্র এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি।

কাকার ২০১৮ সালে সিনেটে বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির সংসদীয় নেতার দায়িত্বও পালন করেন। পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য দলটির সংসদীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পাঁচ মাস আগে দলটি নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, যার ফলে তার স্থলাভিষিক্ত হন নতুন নেতা।


LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen + nine =