শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতিমূলক সভা বাধা প্রদান ও
বিএনপির ১১ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন
করেছে বিএনপি। ১৫ এপ্রিল সোমবার দুপুরে জেলা শহরের গৃদ্দানারায়ণপুর
মহল্লায় জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেলের বাসভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ
সম্মেলনে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবী করেন বিএনিপর কেন্দ্রীয়
নেতারা।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক
সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সারাদেশে
বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে ১৯, ২০, ২৬ ও ২৭ মে শান্তিপূর্ণ
সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ১৪ মে রোববার শেরপুর
জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেলের গৃদ্দানারায়ণপুরস্থ বাসভবনে
প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রশাসনের লোকজন বাধা প্রদান দেয়। পরে ১৫ মে সোমবার
ভোর রাতে শেরপুর সদর, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা থেকে বিএনপির ১১ জন
নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এসব নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবী
করেন তিনি। আগামী ১৯ মে শুক্রবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক
মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানের উপস্থিতিতে শেরপুর জেলা বিএনপি কেন্দ্রীয়
কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা চান
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট শাহ মো.
ওয়ারেছ আলী মামুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি
শরিফুল আলম, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রশিদ পলাশ,
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুল হক মোল্লাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে শেরপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল মাহমুদ বলেন,
বিএনপির কোন মিটিং আমরা বাঞ্চাল করি নাই। ঐটা তাদের দলীয় কোন্দলের
কারণেই হয়ে থাকতে পারে। আর যাদেরকে আমরা গ্রেফতার করেছি তাদের বিরুদ্ধে
নাশকতার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ ও একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা
ছিলো। দলীয় পরিচয়ে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। কাউকে হয়রানী
করার উদ্দেশ্যে আমরা অভিযান করিনা।