ঝিনাইগাতীতে ভাতিজার স্ত্রীকে জড়িয়ে যুবলীগ নেতাকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ

6

শেরপুর প্রতিনিধি : ভাতিজার স্ত্রীকে জড়িয়ে যুবলীগ নেতাকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের বনগাঁও খাঁপাড়া গ্রামে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টু’র ছেলে মো. হেমায়েতুল্লাহ রাসেল এবং একই গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে তারা মিয়া পরস্পর বন্ধু ও চাচা ভাতিজা। তারা মিয়া জীবিকার তাগিদে ঢাকায় চাকুরি করলেও উভয় পরিবারের মধ্যে ঘনিষ্ট সর্ম্পক থাকায় নিয়মিত যাতায়াত ও যোগাযোগ ছিল। যে কারণে সময়ে অসময়ে তারা মিয়ার পরিবারের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজ বন্ধু/চাচা রাসেলকে দিয়ে চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগষ্ট বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার দিকে তারা মিয়া ঢাকা থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রাসেলকে বনগাঁও বাজার থেকে প্রয়োজনীয় ঔষধ নিয়ে তার বাড়ীতে দিয়ে আসতে বলে। রাসেল তার বন্ধুর কথামতো ঔষধ নিয়ে তারা মিয়ার বাড়ীতে পৌঁছার পর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের গৌরীপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জামাল উদ্দিন,আবু হারেজ, হাবিবুল্লাহ ওরফে হাবুল ও রবি আকস্মিক ভাবে বাড়ীতে প্রবেশ করে মিথ্যা কলংকের অজুহাত দেখিয়ে আটকিয়ে রেখে মারধর করে। খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম পলাশ, ইউপি সদস্য শিপন ও চৌকিদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনার বিস্তারিত অবগত হন। পরে রাসেলের পিতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টুকে ডেকে এনে ছেলে রাসেলকে তার হাতে বুঝিয়ে দেন। এসময় উপস্থিত সকলের সন্মুখে ঢাকা থেকে তারা মিয়া মোবাইল ফোনে জানান, “আমার সংসার নষ্ট করার জন্য একটি পক্ষ তৎপর। রাসেলের সাথে আমার স্ত্রী কোন খারাপ সর্ম্পক নেই। আমিই তাকে আমার বাড়ীতে পাঠিয়েছিলাম। অপরদিকে ভুক্তভোগী পরিবার দুটি বলছেন, ওই ঘটনাকে পুঁজি করে একটি পক্ষ আমাদেরকে সামাজিক ভাবে হেয় করার জন্য নানান ভাবে অপ-প্রচার চালাচ্ছেন, যাহা কোন ভাবেই কাম্য নয়। গৌরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম পলাশ ও ইউপি সদস্য শিপনের সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, বিষয়টি ভুল বুঝাবুঝি। আমরা স্থানীয় ভাবে মিমাংশা করে দিয়েছি।ঘটনাটি সত্য হলে ওই মহিলার স্বামী তারা মিয়া নিজেই পদক্ষেপ নিতেন। গৌরীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হেমায়েতুল্লাহ রাসেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রাজনৈতিক কারণে গৌরীপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে আমার ও তারা মিয়ার পরিবারের মান সন্মান নষ্ট করার জন্যেই এমনটি করেছে। প্রকৃত পক্ষে তারার স্ত্রী আমার সর্ম্পকে (ভাইজতা বউ) ভাতিজার স্ত্রী। গৌরীপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও রাসেলের পিতা হাবিবুর রহমান মন্টু জানান, আমি একজন সফল চেয়ারম্যান ছিলাম। আমি নির্বাচনে ফেল করার পর থেকেই একটি পক্ষ আমার পরিবারের মান সন্মান নষ্ট করতে সক্রিয়। আমার ছেলেকে হেয় করতে বিএনপি’র কর্মিরা এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করবে, কল্পনাও করতে পারছিনা।