শেরপুর প্রতিদিন ডট কম

Home ময়মনসিংহ বিভাগ শেরপুর সদর উপজেলার ধলা ইউনিয়েনের পান্জরভাঙার দুই কিলোমিটার রাস্তার জন্য দুর্ভোগ চরমে!
শেরপুর সদর উপজেলার ধলা ইউনিয়েনের পান্জরভাঙার দুই কিলোমিটার রাস্তার জন্য দুর্ভোগ চরমে!

শেরপুর সদর উপজেলার ধলা ইউনিয়েনের পান্জরভাঙার দুই কিলোমিটার রাস্তার জন্য দুর্ভোগ চরমে!

নিউজ ডেস্ক: শেরপুর সদর উপজেলার ধলা ইউনিয়নের পান্জরভাঙা সেকান্দর আলী মাষ্টার মোড় থেকে উলাকান্দার আফরের বাড়ি মোড় পর্যন্ত মাত্র দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা এই এলাকার মানুষের জন‌্য চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ওই কাঁচা রাস্তা চলাচলের জন্য একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির মধ্যে চলাচল করতে গিয়ে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার মুখোমুখি হচ্ছে এলাকার বসবাসকারী ও পথচারীরা। বহু বছরের ওই কাঁচা রাস্তাটির সমস্যা সমাধানে নেয়া হয়নি কোন কার্যকরী পদক্ষেপ। স্থানীয় জন-প্রতিনিধিদের অবহেলার কারণে ওই কাঁচা রাস্তাটি আজ পর্যন্ত পাকা হয়নি বলে অভিযোগ গ্রামবাসী ও পথচারীদের। সরেজমিনে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শেরপুর সদর উপজেলার ধলা ইউনিয়নের জনবহুল ও ব্যস্ততম এলাকার পান্জরভাঙা সেকান্দর আলী মাষ্টার এর মোড় থেকে উলাকান্দার আফরের বাড়ি মোড় পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাটি সংস্কার ও পাকাকরণে স্বাধীনতার ৫০ বছরে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ওই রাস্তাটি দিয়ে অত্র এলাকার অন্তত ১০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। কাঁচা রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কৃষিপণ্য পরিবহন, সিএনজি, মোটরসাইকেল, বাই-সাইকেল, ভ্যান, অটো-ভ্যান চলাচল করে। বর্তমান ওই রাস্তাটি একাধিক স্থানে ছোট-বড় অনেক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষায় একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে থাকে। উল্লেক্ষ্য; রাস্তাটি ৩১ নং পান্জরভাঙা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের একমাত্র পথ হওয়ায় স্কুলের ছাত্রছাত্রী সহ শিক্ষকদের চরম ভোগান্তিতে পরতে হয়, তাছাড়া ভাঙ্গা রাস্তার জন্য এ্যাম্বুলেন্স সহ বড় কোন গাড়ি ঢুকতে না পারায় কেউ অসুস্থ হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করা সম্ভব হয় না । বর্ষাকালে রাস্তাটির অবস্থা এতই নাজুক হয় যে, চান্দেরনগর থেকে কেউ গারোভিটা বাজারে যেতে চাইলে তাকে উলাকান্দা পাগারিয়া পাড়া হয়ে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে বাজারে যেতে হয় । পান্জরভাঙা মধ্যপাড়া গ্রামের অনেকেই বলেন, আমরা চরম অবহেলিত এলাকায় বসবাস করছি, যার কারণে স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও গ্রামীণ এই কাঁচা রাস্তাটিতে লাগেনি আধুনিকতার কোন ছোঁয়া। ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হলেও এই কাঁচা রাস্তাটি আর পাকাকরণ হয়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বিষয়টি অনেকবার জানানোর পরও রাস্তাটি একই অবস্থায় আছে। এমতবস্থায় এলাকাবাসী আশা করেন বাংলাদেশে এই এগিয়ে যাওয়ার সময়ে সংশ্লিষ্টি কর্তৃপক্ষ অত্রএলাকার এই রাস্তাটি পাকাকরনের মাধ্যমে তাদের এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করবেন ।


LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 × four =