নকলায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা

27

স্টাফ রিপোর্টা শৈত্য প্রবাহের কারণে জবুথবু গোটা উপজেলা। সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না তেমন। মাঝে মধ্যে একবেলা দেখা মিলে। কনকনে শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে শেরপুরের নকলা উপজেলাসহ আশেপাশের এলাকা। কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে আকাশ। হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বির্পযস্ত হয়ে পড়েছে। আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে ছিন্নমূল মানুষ। কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল।

উপজেলার ছিন্নমূল মানুষের অবস্থা বর্ণনাতীত। গরীব, অসহায়সহ অনেক ছিন্নমূল মানুষ গরম কাপড়ের অভাবে শীতে খুব কষ্ট ভোগ করছেন। মধ্যরাত থেকে পাতা, খড়, পুরোনো কাগজ, কাপড় জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন অনেকেই। অনেককেই আবার সন্ধা থেকে আগুন জালিয়ে শীত নিবারন করতে দেখা যায়। সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে এখনো শীতার্তদের মাঝে তেমন গরম কাপড় বিতরণ করা হয়নি। ভুক্তভোগীদের দাবি শীত নিবারণে গরম কাপড় বিতরণে বিত্তবানদের এগিয়ে আসা দরকার।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ বাড়ে। সাধারণত শিশুরা এতে বেশি আক্রান্ত হয়। তাই শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। ঠাণ্ডা লাগলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বয়স্কদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তাছাড়া নিয়মিত মাস্ক পড়লেও ঠান্ডা জনিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শীত মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। পর্যাপ্ত রয়েছেন শীত নিবারনের কম্বল। দুইদিন যাবৎ হালকা বাতাশ থাকায় শৈত্য প্রবাহ কিছুটা বেড়েছে। অসহায় শীতার্তরা আসলে তাদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল দেওয়া হবে। তাছাড়া নির্দেশনা পাওয়ার সাথে সাথে প্রতিটি ইউনিয়নের শীতার্তদের মাঝে এসব কম্বল বিতরন করা হবে।