ঝিনাইগাতীতে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে আ:লীগের একাংশ

158

মুহাম্মদ আবু হেলাল: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের একটি অংশ বিদ্রুহী প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম পলাশ এর পক্ষে মাঠে নামার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ করছেন, নৌকার মনোনিত প্রার্থী ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টু।

খোঁজ নিয়ে গেছে, গৌরীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল সালামের নেতৃত্বে ৯টি ওয়ার্ডের ১৪জন সভাপতি সম্পাদক সরাসরি বিদ্রুহী প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছেন নৌকার বিরুদ্ধে। নৌকার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন, ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সম্পাদক মন্ডল, ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি আমানুল্লাহ, ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি ছাইদুল, সম্পাদক হযরত, ৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি হোসেন আলী, সম্পাদক আব্দুল করিম, ৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সম্পাদক বারিক, ৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি আজাহার, ৭নং ওয়ার্ডের সম্পাদক রেজাউল করিম মোঙ্গল, ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি নুর মোহাম্মদ ফকির, সম্পাদক মোজাফর হোসেন, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল ওহাব।

অথচ এই নেতারাই বিগত সময়ে দলীয় সকল সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন তারা। এলাকাবাসীদের মধ্যে দলের এই সুবিধাভোগী নেতাকর্মিদের নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সমালোচনার ঝড় উঠছে। অপরদিকে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন,ছাত্রলীগ, যুবলীগ কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ সহ আওয়ামীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠন। নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টু বলেন, আমি বিগত নির্বাচনে নৌকার প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করি। গত ৫বছর এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করেছি। নেতাকর্মিদের মুল্যায়ন করা সহ আমি দু:স্থ, অসহায়দের পাশে থেকেছি। আমার ইউনিয়নে কাউকে কোন দালালীপনা করতে দেইনি। গত ৫ বছরে আমার বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ আনতে পারেনি। সকলের বিপদে পাশে থেকেছি। সবকিছু মিলিয়ে অনেক যাচাই বাছায়ের পর মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আমাকে নৌকা মনোনয়ন দিয়েছেন। কিন্তু গৌরীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি-সম্পাদকের নেতৃত্বে অদৃশ্য কোন গডফাদারের নির্দেশে নৌকার বিজয় ঠেকাতে মাঠে নেমেছে।

এ বিষয়ে আমি উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এসএমএ ওয়ারেজ নাইম জানান, যাহারা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে যুক্ত তাহারা নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে যেতে পারেনা। ইতিমধ্যে আমি বিষয়টি জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি। তারা ফিরে না আসলে প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।