ঝিনাইগাতীতে ছাগল খোয়াড়ে দেয়ার অপরাধে ক্ষেত মালিককে মারধর

109

মুহাম্মদ আবু হেলাল: কৃষকের কষ্টার্জিত সব্জিক্ষেত ছাগলে খাওয়ার ঘটনায় ছাগল খোয়াড়ে দেয়ার অপরাধে মারধরের শিকার হয়েছেন কৃষক দিদার হোসেন। ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের নওকুচি গ্রামে। কৃষক দিদার ওই গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে। বাদীর দায়ের করা অভিযোগের সুত্রে জানা যায়,গত ৪ আগষ্ট বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৩ ঘটিকার দিকে একই গ্রামের মৃত সাইদুল ইসলামের স্ত্রী রোকেয়া বেগমের ৬ টি ছাগল দিদারের জিঙ্গা, কদু ও বেগুনের ক্ষেতে প্রবেশ করে উক্ত সব্জি ক্ষেতের ক্ষতি করে।

এ ব্যাপারে দিদার ছাগল মালিককে বারংবার সাবধান করলেও তারা বিষয়টি আমলে না নিলে কৃষক দিদার ১টি ছাগল ধরে গান্ধিগাঁও গ্রামে তোফাজ্জলের খোয়ারে রশিদমুলে জমা দেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে একই দিন বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকার দিকে নকশী বিজিবি ক্যাম্প বাজার থেকে বাজার করে আসার পথে পরিকল্পিত ভাবে রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে রকিব(২২) তাদের নিজ বাড়ীর পাশে উৎপেতে থেকে দিদারকে লাঠিসুঠা দিয়ে অতর্কিত ভাবে মারপিঠ করে। অবস্থা বেগতিক দেখে দিদার সেখান থেকে দৌড়ে কোনমতে জীবন বাঁচায়। পরে দিদারের স্বজনরা তাকে দ্রুত ঝিনাইগাতী হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় গত ৫ আগষ্ট দিদার বাদী হয়ে রোকেয়া ও তার ছেলে রকিবকে বিবাদী করে ঝিনাইগাতী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। মা ও ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারা দিদারের জিঙ্গা, কদু ও বেগুনের ক্ষেত কেটে ও উপড়ে ফেলে দেয়।

এ ব্যাপারে বিবাদীর বড় মেয়ে শুভা জানান, আমরা দিদারের জিঙ্গা, কদু ও বেগুনের ক্ষেত কেটে ও উপড়ে ফেলে দিয়েছি কথাটি সঠিক নয়। ছাগল খোয়ারে দেয়ার বিষয়ে দিদাদের সাথে আমার মা ও ভাইয়ের মারামারি হয়নি, কথা কাটাকাটি হয়েছে।

ওসি মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ ব্যাপারে উক্ত অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুর রাজ্জাক জানান, সরেজিম তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।