ড্রেজারে বালু উত্তোলন ও পাহাড়ি ঢলে ভোগাই নদীর পাড় ভাঙ্গনের সৃষ্টি: ডিসি’র পরিদর্শন

113

স্টাফ রিপোর্টার: নদী থেকে অপরিকল্পিত ভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় এবং গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতের কারণে ভোগাই নদীর পাড় ঘেঁষা শেরপুরের নকলা উপজেলার পিছলাকুড়ী-তারাকান্দা পাকা সড়কটি ভাঙ্গনের হুমকির মুখে পড়েছে। শুক্রবার (২জুন) বিকালে ওই ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি পরিদর্শনে যান শেরপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক মোমিনুর রশীদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নকলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সারোয়ার আলম তালুকদার, উপজেলা প্রকৌশলী আরেফীন পারভেজ, ইউপি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল হক হীরাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতের কারণে তারাকান্দা-পিছলাকুড়ি পাকা সড়কে তৈয়ব আলী ও নিজাম উদ্দিনের বাড়ির সামনে সড়কটির কিছু অংশ ইতিমধ্যেই ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে বিকল্প কাঁচা রাস্তা দিয়ে যানবাহন ও মানুষ চলাচল করছে।

এলাকাবাসীরা জানায়, পাকা সড়ক থেকে ৪০০ থেকে ৫০০ ফুট দূরে নদী ছিল কিন্তু রাস্তার পাশ থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে গত বছর রাস্তা সংলগ্ন জমি ভাঙ্গনের শুরু হয়। শুকনো মৌসুমে সেখানে কিছু বালু ফেলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করা হলেও এবার বর্ষার শুরুতেই নদীর স্রোতে রাস্তা ভেঙ্গে নিয়ে গেছে, আর সামান্য ভাঙ্গন হলেই নিজাম উদ্দিনের বাড়িসহ আরো কয়েকটি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়া পিছলাকুড়ী-তারাকান্দা সড়কটি ধ্বসে গেলে পাহাড়ি ঢলে বন্যার পানিতে নকলা উপজেলার বির্স্তীর্ণ ফসলের মাঠ এবং তলিয়ে যাবে রাস্তা ঘাট ও ঘর বাড়ি। সড়কটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোমিনুর রশীদ বলেন, ‘আমি ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি পরিদর্শন করেছি এবং সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছি।’