নকলায় ‘ইকোপার্ক’ পরিদর্শন করলেন ইউএনও ও নবাগত কৃষি কর্মকর্তা

84

স্টাফ রিপোর্টার: শেরপুরের নকলায় ‘ইকোপার্ক’ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদুর রহমান ও নবাগত উপজেলা কুষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ। মঙ্গলবার (১৫জুন) বিকেলে উপজেলার উরফা ইউনিয়নে ভোগাই নদীর মোহনায় (কালা নদী) অবস্থিত ওই ইকোপার্ক পরিদর্শন করেন তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উরফা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক হীরা, পৌরসভার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা সামাদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্ধ।

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় উরফা ইউনিয়নে ভোগাই নদীর মোহনায় (কালা নদী) সাবকে কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, এমপি’র (বর্তমানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি) ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় ২০১০-১১ অর্থ বছরের কাবিখার বরাদ্দ দিয়ে সরকারি খাস জমি ভরাট করে নকলা ইকো পার্কের স্থাপন কাজ শুরু করেন। ইকো পার্কের মোট আয়তন ৬ একর ৬৭ শতাংশ। অবস্থানগতভাবে, ইকো পার্কটি নকলা উপজেলা থেকে প্রায় ১০ কি.মি. উত্তরে উরফা ইউনিয়নের ভোগাই নদীর মোহনায় অবস্থিত।

২০১০ সালে তৎকালীন নকলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও বর্তমানে নকলা পৌরসভার মেয়র মো: হাফিজুর রহমান লিটন এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করেন এবং ইকো পার্ক গড়র কাজ শুরু হয়। মাটি ভরাটের পর প্রাথমিকভাবে উক্ত এলাকার পরিবেশ ও মাটির উন্নয়ন এবং ভূ’মির ক্ষয়রোধের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নকলা, শেরপুর ও মান সম্পন্ন উদ্যান উন্নয়ন প্রকল্প, খামারবাড়ী, ঢাকা এবং হর্টিকালচার সেন্টার, জামালপুর এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে কিছু সংখ্যক বাবলা এবং তালের চারা রোপন করা হয়। তারপর সময়ে সময়ে খেজুর, তাল সহ আরো বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপন করা হয়।

৬ জুলাই ২০১৫ ইং তারিখে বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মেহেদী মাসুদ, হর্টিকালচার সেন্টার, জামালপুরের উপপরিচালক মো. ফকরুল ইসলাম, মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ূন কবীরসহ অনান্য কর্মকর্তা কর্মচারী গণকে নিয়ে ০১টি বট গাছ, ২৩৬ টি দেশী কুল, ০১টি খুঁিদ জাম ও ২০৪ টি বেতের চারা রোপন করা হয়। ইকো পার্কের সরাসরি তত্ত্বাবধানের জন্য এলাকার জনগণের সাথে আলোচনা করে একজন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করা হয় এবং উরফা ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে উক্ত পার্কের দেখাশুনার জন্য বিশেষ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

১১ জুলাই ২০১৫ ইং তারিখে সাবেক প্রকল্প পরিচালক এস এম কামরুজ্জামান এবং মো:মেহেদী মাসুদ, প্রকল্প পরিচালক, বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প, মো: ফকরুল ইসলাম, উপপরিচালক, হর্টিকালচার সেন্টার, জামালপুরসহ অনান্য কর্মকর্তা কর্মচারী গণকে নিয়ে কিছু সংখ্যক উন্নতমানের আম, লিচু, সফেদা, আপেল কুল, শরীফা, স্টার আপেল, জামরুল, নিম, বকফুল, ফলসা, বিলাতী গাবসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপন করা হয়।