শেরপুর পৌর নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে আছেন ২ সাংবাদিক

455

স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠেয় ঐতিহ্যবাহী শেরপুর পৌরসভার নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার আগেই মেয়র পদে একজন ও সাধারণ কমিশনার পদে এক জন সাংবাদিক নির্বাচনের মাঠ চষে বেরিয়ে ভোটারদের আস্থা অর্জন করে আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছেন। মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীসহ সাধারণ ভোটারদের আশা-আকাঙ্খার দিক বিবেচনায় মেয়র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সাপ্তাহিক দশকাহনীয়র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, শ্যামল বাংলা ২৪ ডটকমের সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক জনকণ্ঠ ও বাংলাদেশ বেতারের জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার। এছাড়াও তিনি জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ময়মনসিংহ বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। রফিকুল ইসলাম আধার সামাজিক ভাবে সদাহাস্যোজ্জল কর্মঠ সমাজ সেবক ও সর্বজন গৃহীত একজন জননেতা হিসেবে পরিচিত। তবে মেয়র পদে রফিকুল ইসলাম আধার নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন না পাওয়ায় আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী সরাসরি তাঁর নির্বাচনী প্রচার কাজে অংশ নিতে পারছেন না। এ সুযোগে রফিকুল ইসলাম আধার শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকা না-থাকা নিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানান রফিকুল ইসলাম আধারের অনেক কর্মী-সমর্থকরা।

অন্যদিকে, ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ কমিশনার পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন শেরপুর ইয়্যুথ রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি, শেরপুর প্রেসক্লাবের প্রচার-প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, শেরপুর প্রতিদিন অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও প্রকাশক, চ্যানেল এস টিভির জেলা প্রতিনিধি মো. সোহেল রানা। এছাড়াও তিনি কালের কণ্ঠ শুভ সংঘ শেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, ডায়েবেটিস সমিতি, হার্ট ফাউন্ডেশন ও রেড ক্রিসেন্টের আজীবন সদস্য, জেলা সদর হাসপাতালের মেজর ডোনার, শেখ রাসেল শিশু মঞ্চ শেরপুরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মানবাধিকারকর্মী, রক্ত দিন জীবন বাঁচান (রজীবা) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সদু গ্রুপ অব কোম্পানীর ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সোহেল রানা পারিবারিক ভাবে শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দানবীর ও রোটারিয়ান আলহাজ্ব মো. দুলাল উদ্দিনের ছোট ছেলে। সোহেল রানা একজন করোনা যোদ্ধা। জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সাথে করোনাকালীন সময় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে প্রসংসিত হয়েছেন। নিজের জীবন বাজী রেখে সচেতন করেছেন জনগনকে। বিনামূল্যে মাস্ক, হেন্ড স্যানিটাইজার ও খাবার বিতরণ করেছেন গরীব ও অসহায়দের মাঝে। তিনি একজন মানবিক ও সাদামাটা লোক।

এ দুই সাংবাদিক ১৭ জানুয়ারি রবিবার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ শানিয়াজ্জামান তালুকদারের কাছে আলাদা সময়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলকালে তাদের সাথে থাকা কর্মী-সমর্থকরা আচরণবিধির লঙ্ঘনের দিক বিবেচনা করে জেলা নির্বাচন অফিসের সামনে অবস্থান করেন। চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৭ জানুয়ারি রবিবারে শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনের জন্য ৭৬ জন মনোনয়নপত্র দালিখ করেছেন। এরমধ্যে ৮জন মেয়র প্রার্থী, ৫৭ জন সাধারন কাউন্সিলর প্রার্থী ও ১৯ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন। ১৯ জানুয়ারি মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই। প্রর্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। শেরপুর পৌরসভায় মোট ভোটার ৭৫ হাজার ৭৩৮ জন। চতুর্থ ধাপে দেশের ৫৬টি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ঘোষিত এ ৫৬টি পৌরসভার মধ্যে শেরপুর জেলার শেরপুর সদর পৌরসভা ও শ্রীবরদী পৌরসভা রয়েছে। এ ৫৬টি পৌরসভার মধ্যে ৩১টি পৌরসভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এর মাধ্যমে এবং ২৫টি পৌরসভার নির্বাচন ব্যালট পেপারের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে।