ওসি’র উপহার পেয়ে কেঁদে দিলেন জামিলা বেওয়া

1393

স্টাফ রিপোর্টার: শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের বাছুর আলগা দক্ষিন পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোছা. জামেলা বেওয়া।সব সময় দু:খে ও কস্টে দিন কাটত তার। সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে নকলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন শাহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে তার সমস্যাটার সমাধান করে দেন। তার নেই কোন ঘর দরজা। সেটাও সামাজিকভাবে ব্যবস্থা করে দেন।

চলে এসেছে শীত মৌসুম। সামনের দিনে আরো শুরু হবে কনকনা শীত। নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন শাহ যখন জানতে পারলেন জামেলা বেওয়া এর আগেও তার ভাঙ্গা ঘরে খড়ের উপরে ছালা ও পুরাতন ছিড়া কাপর বিছিয়ে থাকতো। তখন তিনি ‍বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) জামেলা বেগমকে খবর দিয়ে এনে একটি খাট উপহার দেন।খাটটি পেয়ে জামেলা বেওয়া কেঁদে উঠেন।

মোছা. জামেলা বেওয়া বলেন, আমি পারিবারিক একটি সমস্যা নিয়ে থানায় আসি। পরে বিষয়টি সমাধান করে দেয় পুলিশ। আমি খুবই গরীব মানুষ।আমার ঘরদরজা কিছুই ছিল না। ভাংগা একটি ছাউনিতে থাকতাম।স্থানীয় ভাবে বিষয়টি সমাধান করে ছোট একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দেয় পুলিশ। আজকে আমাকে একটি খাট দিয়েছে। আমি খুবই খুসি। মৃত্যুর কাছাকাছি চলে এসে খাটে শুয়ে মরতে পারব। আল্লাহ ওসি স্যারকে ভাল করুন।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন শাহ বলেন, এই ভদ্র মহিলার একটি পারিবারিক সমস্যার অভিযোগ পেয়ে তা মিমাংসা করে দেই। পরে যাদের সাথে সমস্যাটা হয়েছিল তাদের সাথে কথা বলে একটি একটি টিনের ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। যখন শুনলাম সে মাটিতে থাকে। তার কোন চৌকি বা খাট নেই। তাৎক্ষনিক আমি একটি খাটের ব্যবস্থা করে দেই। আমরা পুলিশ।বাংলাদেশ সরকার ও আমাদের আইজিপি স্যার পুলিশ ও মানুষের সাথে আরো গভীর সম্পর্ক ও কাজকে বেগবান করার জন্য চালু করেছে বিট পুলিশিং। মানুষের দরজায় পুলিশের সেবা পৌছে দেওয়ার জন্যই এই সেবা চালু করা হয়েছে। আমরা পুলিশ হলেও আমরা মানুষ। আমাদের এসপি স্যারের মানবিক কাজগুলো দেখে আমরা উৎসাহ পাই।এই সব কাজে এসপি স্যার আমাদের অনুপ্রেরনা।