শেরপুর প্রতিদিন ডট কম

Home রাজনীতি মামলার ‘রায় আতংক’ শেরপুর বিএনপিতে, আদালত পাড়ায় উপচে পড়া ভীড় !
মামলার ‘রায় আতংক’ শেরপুর বিএনপিতে, আদালত পাড়ায় উপচে পড়া ভীড় !

মামলার ‘রায় আতংক’ শেরপুর বিএনপিতে, আদালত পাড়ায় উপচে পড়া ভীড় !

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি :  ২০১৮ সালের ৫ফেব্রোয়ারি পুলিশের করা ৪/৫/৬ ধারার বিস্ফোরক আইনে করা একটি মামলার রায় দিতে তোরজোড় করা হচ্ছে বলে শেরপুর বিএনপির দাবি। মামলায় ঘনঘন শুনানি, এজলাসে ৫/৬ ঘন্টা ব্যাপি দাড় করিয়ে রাখাসহ সার্বিক পরিবেশ নিয়ে এই আতংক জানিয়েছে শেরপুর বিএনপি নেতাকর্মীরা।

জানা যায়, মামলায় জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপির গুরুত্বপূর্ন ৪৬জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আন্দোলনকে সামনে রেখে গত দুই মাস ধরে এই মামলার তারিখ পড়ছে ঘনঘন। গত কয়েকটি সাক্ষি শুনানির তারিখ ছিল ঘনঘন।

মামলায় অভিযুক্ত দুজন শীর্ষ নেতাই জেলার দুটি আসনে শক্তিশালি প্রার্থী। বাকিরা জেলার বিএনপির রাজনীতি মাতিয়ে রাখে। এসব নেতাকর্মীদের যেনতেন ভাবে শাস্তি দিয়ে নির্বাচন ও সরকার বিরোধী আন্দোলন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার একটি কৌশল বলে দাবী বিএনপির।

মামলার এই শুনানির দিনগুলিতে আদালত প্রাঙ্গনে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভীড় থাকছে। সবার মুখে আতংকের ছাপ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিবাগতরাতে বিএনপি নেতা খালেদা জিয়ার দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার রায়কে কেন্দ্র করে নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে গভীর রাতে অভিযুক্তরা বিএনপি সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেলের বাসায় গোপন বৈঠকে বসে। বিষয়টি পুলিশের কানে আসলে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। মামলার দাবী মতে ঘটনাস্থল থেকে ১১টি ককটেল,২০টি কাঁচের বোতল,,স্কচটেপ,,পাঁচ লিটার পেট্রোল, কাপড়ের সলতা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয় সাইফুল ইসলাম সানি ও জয় চক্রবর্তি নামে দুজন নেতাকে। বাকীদের পলাতক দেখানো হয়।

মামলায় অভিযুক্ত জেলা বিএনপি সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেলের দাবি, অভিযোগের বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই। ঘটনার সময় দেশে আন্দোলন চলছিল সত্য।গভীর রাতে বৈঠক,আলামত জব্দ কিছুই হয়নি। ঘুমের মধ্যে বাড়ী থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, আদালতের পরিবেশই বলে দিচ্ছে ন্যায় পাওয়া যাবে না। ২০১৪ সালের এমন অনেক মামলার কোন সুরাহাই হয়নি। অথচ এই মামলাটাকে সামনে আনা হয়েছে উদ্দেশ্য জনিত শাস্তি দিতে। এখন প্রতি জেলাতেই শাস্তি দেওয়া যায় এমন মামলা সরকার সামনে এনে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করতে চাইছে। এই জন্য বিএনপি নেতাকর্মীরা আতংকিত। রুবেলের দাবী এসব করে আন্দোলন, সরকার পতন ঠেকানো যাবে না।

মামলার কৌশলি সরকারি অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এড.ঈমাম হোসেন ঠান্ডু বলেন, মামলাটি চাঞ্চল্যকর। অভিযোগের দীর্ঘ সময় পাড় হয়েছে। সকল মামলা দ্রুত শেষ করার আইনগত নির্দেশনা রয়েছে। রাজনৈতিক কোন কারণ এখানে নেই। অভিযুক্তরা সকল আইনগত সুবিধা পাচ্ছেন। আইনের কোন ব্যাপ্তয় হচ্ছে না। বিচার বিভাগ স্বাধীন,নিরপেক্ষ ও সবার কথাই শুনছেন। রাজতৈকি কারণে শুধু বিতর্ক সৃষ্ঠি করা হচ্ছে। ন্যায় সকল পক্ষই পাবেন বলে জানিয়েছেন এই পিপির।


LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

8 + 14 =